ঢাকা,  শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]
সিপিআর প্রশিক্ষণ ও হার্ট অ্যাটাকের আগাম ঝুঁকি নির্ণয় কর্মসূচি

সময়মতো চিকিৎসায় হৃদরোগজনিত জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব

সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশন ও ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির যৌথ কমসূচি অনুষ্ঠানে বক্তারা
ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০১, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সময়মতো চিকিৎসায় হৃদরোগজনিত জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব
বাংলাদেশে অধিকাংশ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত নন। অথচ নিয়মিত ঝুঁকি নির্ণয়, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব

গতকাল ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২৬: হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি চিকিৎসা সহায়তার সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশন ও ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির যৌথ উদ্যোগে  সিমেক হেলথ সেন্টারে বেসিক লাইফ সাপোর্ট প্রশিক্ষণ এবং হার্ট অ্যাটাকের আগাম ঝুঁকি নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ভেড়ামার সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ভেড়ামারার আপামর জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আগাম ঝুঁকি নির্ণয় কার্যক্রম।

বিশেষজ্ঞরা জানান, নিয়মিত ঝুঁকি মূল্যায়ন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ হৃদরোগজনিত জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে বেসিক লাইফ সাপোর্ট (CPR) প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষকরা বলেন, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যে সঠিকভাবে সিপিআর শুরু করা গেলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক, বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ গোলাম মোর্শেদ।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে অধিকাংশ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত নন। অথচ নিয়মিত ঝুঁকি নির্ণয়, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব। একই সঙ্গে প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক সিপিআর জানা থাকলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে অনেক মূল্যবান প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব।”

অনুষ্ঠানে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, “হৃদরোগ প্রতিরোধ ও জরুরি জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিতে এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে।”

ভেড়ামারা সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ওয়াহিদ আহমেদ উজ্জল জানান, অসংক্রামক রোগ বিশেষ করে হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আগাম ঝুঁকি নির্ণয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সিপিআর প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

স্বাস্থ্য সচেতন ও নিরাপদ সমাজ গঠনে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএম
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!