কুকুরের জন্য বাজার করে হলের ক্যান্টিনে এরইমধ্যে দুর্জয় নিজেই তৈরি করছেন খাবার। এই উদ্যোগে তাকে সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকসহ আরো কয়েকজন।

.png)
সোমবার (১৭ এপ্রিল) থেকে এসব খাবার কুকুরদের খেতে দিবেন তিনি। ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে গেলেও দুর্জয় এখনো হলে অবস্থান করছেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।
দুর্জয়ের এসব মানবিক উদ্যোগ নতুন নয়। গেল বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ আব্দুস সালাম হলে আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছিল একটি কুকুর।ঐ কুকুরটিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কেউ আহত করেছিল। তার ঘাড়ের আশপাশে ছিল গভীর ক্ষত। কুকুরটির এমন অবস্থা দেখেই পাশে দাঁড়ান দুর্জয়। রক্তাক্ত কুকুরটিকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসা দেন তিনি।

কুকুরটির আক্রান্ত জায়গায় জীবাণুনাশক দিয়ে ড্রেসিং করে নিবিড় পরিচর্যায় টানা কয়েকদিন তিনি এ চিকিৎসা দেন। এছাড়াও খাবারের সঙ্গে কুকুরকে ব্যথানাশক অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান। টানা কয়েকদিন চিকিৎসার পর কুকুরটিকে সুস্থ করে তোলেন।
সরদার মাহমুদুল হাসান দুর্জয় বলেন, ‘মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। প্রত্যেকটা মানুষেরই উচিত প্রাণ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসা। পশুপাখি, প্রাণ-প্রকৃতিকে ধ্বংস না করা। ক্যাম্পাস হয়ে যাওয়ায় কুকুরগুলো খাদ্য সংকটে পড়েছে। কুকুরের জন্য খাবার তৈরির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপদ স্যার, জোবায়ের স্যারসহ বেশ কয়েকজন সহযোগিতা করেছেন।’