মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা বলেন, গুচ্ছ এমন একটি প্রক্রিয়া যা কোন গবেষণা ছাড়াই আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। সবচেয়ে লজ্জার বিষয় হলো গত ১৫ মার্চ অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের নিজস্ব পদ্ধতিতে যে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, সে সিদ্ধান্তগুলো কার্য বিবরণে বিকৃতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে গুচ্ছে অংশগ্রহণের ফলে আমাদের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে তা আসলেই দুঃখজনক।

.png)
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া বলেন, আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে আইন আছে সে অনুযায়ীই ভর্তি পরীক্ষা নিতে চাই। একাডেমিক কাউন্সিলে সে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা বাস্তবায়নে করতে প্রশাসনের কেন এত অনীহা। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যদি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবারও গুচ্ছে যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অমান্যের জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সেখানেই যাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজ।
মানববন্ধন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাক্ষাৎ শেষে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, মাননীয় উপাচার্য আমাদের আজকের দাবিগুলো মেনে নিয়ে আবারো ৫/৬ তারিখে বিশেষ একাডেমিক সভার আহ্বান করেছেন। ঐ সভায় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি ও ইউনিট ভিত্তিক কমিটি গঠন করে আগামী ৮ এপ্রিল সিন্ডিকেট সভায় সেগুলো উত্থাপন করা হবে। আর গত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তগুলো বিকৃতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয় সেটাও আমাদের উপস্থিতিতেই সংশোধন করে দেন উপাচার্য।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, আগামী ৮ তারিখ সিন্ডিকেটের আহ্বান করা হয়েছে। সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।