জানা যায়, বাসের ভেতরে আসন খালি থাকা সত্ত্বেও হেলপার শিক্ষার্থীদের বলে, ‘বাসের ওঠা যাবে না- ভেতরে সিট নেই’। তবে, কিছুটা জোর করে বাসে ওঠার পরেই দেখা গেল, ভেতরে অসংখ্য আসন ফাঁকা।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিন মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়তই এসবের স্বীকার হই। তারা ছাত্রদের গাড়িতে উঠাতে দিতেই চায় না, হাফ ভাড়া নিতে হবে বলে। অথচ সরকার আমাদের এই সুযোগ দিয়েছে, আমরা শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিব।’
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অপর এক শিক্ষার্থী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রত্যেকটি বাস আমাদের ক্যাম্পাসের সামনে দাড়িয়ে থাকে। ফলে আমরা ঠিকঠাক ক্যাম্পাসে ঢুকতে পাড়ি না। আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইটটাকে একদম বাসট্যান্ড বানিয়ে ফেলেছে। এত কিছুর পরেও তারা আমাদেরই গাড়িতে উঠতে দেয় না।’
.png)
জানা যায়, প্রায়ই এসব বাসে শিক্ষার্থীরা হেনস্তার স্বীকার হয়। কখনো বাসে উঠতে দেয় না, আবার কখনো হাফ ভাড়া নিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে বাসের স্টাফরা ঝগড়া করে। অথচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সদরঘাটগামী সব বাসের মালিক সমিতির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে সাতদিন, ২৪ঘণ্টাই হাফ ভাড়া দিতে পারবে।
এ বিষয়ে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের কোনো স্টাফ- কাউন্টার এজেন্ট কথা বলতে রাজি হননি।