ঢাকা,  সোমবার   ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

হাবিপ্রবিতে ভর্তিচ্ছুদের অনশন কর্মসূচি 

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৩১, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
হাবিপ্রবিতে ভর্তিচ্ছুদের অনশন কর্মসূচি 
গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট চালু ও সিলেকশন পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি ) প্রধান ফটকের সামনে আধাবেলা অনশন কর্মসূচি পালন করেছে ভর্তিচ্ছুরা। 

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট চালু ও সিলেকশন পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। 

কর্মসূচিতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী আমানুল্লাহ আনাম বলেন, দুই বছর ধরে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটে পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির এমন সিদ্ধান্তে আমাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়ে গেছে। সুতরাং আমাদের দাবি হয় বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট চালু করা হোক নয়তো মানবিকের সাথে বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দিতে হবে। আর দ্বিতীয় দাবিটি হলো সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করে সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। যেহেতু করোনার সময় অনেকে পরীক্ষা না দিয়েই জিপিএ ৫ পেয়েছে সুতরাং তারা এমনিতেই রেজাল্টের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকবে। কিন্তু দ্বিতীয়বার যারা ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলো এতে করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আশা করি ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না যাতে করে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, আমরা গতবছর মার্চে জানিয়ে দিয়েছিলাম শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিকে যা পড়ানো হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। এটি হঠাৎ করে নেয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। আর দ্বিতীয় বিষয়টি হলো উচ্চমাধ্যমিকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ নেই। তবে আমরা চেষ্টা করছি যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একবারে সর্বোচ্চ কতজনের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব সে ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছে। তবে শিফট অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া হবে কিনা এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ১৭ ফেব্রুয়ারি আবার মিটিং হবে তখন উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে পুনরায় আলোচনা করা হবে। তবে কোনো কিছুই এখন চূড়ান্ত করা হয়নি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!