এদিকে, ঈদের ছুটিতে প্রতিকেজি আলু ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশিতে বিক্রি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জেও আলুর দাম চড়া। রংপুর সিটি বাজার ঘুরেও বাড়তি দাম দেখা গেছে।
.png)
ব্যবসায়ীরা বাজারে সরবরাহ না থাকায় দাম বাড়ার কথা বললেও ক্রেতারা বলছেন, পর্যাপ্ত আলু থাকলেও মজুতদাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করছেন। দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজারে নজরদারি বাড়াতে হবে।
রংপুরের সিটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারিতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকায় আর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি শিল বিলাতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, ঝাউ আলু ৬০ টাকা ও ডায়মন্ড আলু ৬০ টাকা। বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী লাল গোল আলু পাইকারিতে প্রতিকেজি ৫৬ টাকা ও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।