এরই মধ্যে এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতের সুদ বেড়েছে। তবে ঋণে তা কমছে। ফলে এ নিম্নগামিতা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান উচ্চ সুদে আমানত নিতো। এর মধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান টাকা ফেরত দিতে পারেনি। ফলে আস্থাহীনতায় পড়েছে পুরো খাত।
.png)
তারা বলেন, এখন বেশিরভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আশানুরূপ আমানত পাচ্ছে না। অন্যদিকে, ব্যাংকের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে সেগুলোকে ঋণের সুদ কমাতে হচ্ছে।
একসময় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আমানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ এবং ঋণে ১১ শতাংশ সুদ নির্ধারিত ছিল। চলতি বছরের জুলাইয়ে সেসব প্রতিষ্ঠানের নতুন সুদহার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়েছে।
এ ব্যবস্থায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে এবং ৯ দশমিক ১০ শতাংশ সুদে আমানত নিতে পারছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, গত জুনে গড়ে ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। একই মাসে গড়ে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করেছে তারা।