ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

দাম কমেছে মরিচের, ক্রেতা-বিক্রেতার স্বস্তি

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৮, ৭ জুলাই ২০২৩
দাম কমেছে মরিচের, ক্রেতা-বিক্রেতার স্বস্তি
ফাইল ফটো

দেশের বাজারে দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত এক সপ্তাহে দেশের বাজারে মরিচের দাম কিছুটা কমেছে। কাঁচা মরিচের দাম কমায় বেশ স্বস্তিতে আছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচ প্রবেশ করায় দাম কমেছে বলে জানান তারা।

বর্তমানে খুচরা বাজারে আমদানি করা কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকায়। আর দেশি মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, যা গত সপ্তাহেও বিক্রি হয়েছে ১০০০-১২০০ টাকা।

শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট, গোড়ান, সিপাহীবাগ এবং দক্ষিণ বনশ্রীর কয়েকটি বাজার ঘুরে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা এ তথ্য জানা গেছে।

Advertisement

সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা ও পাইকারি বাজারগুলোতে এক কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৭০-৮০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ৫০-৫৫ টাকা। এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি শসা ৫০-৬০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, উস্তা ১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, আলু ৪০-৪৫ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়।

গত সপ্তাহের মতো একই দামে বিক্রি হচ্ছে- জালি কুমড়া, লম্বা বেগুন, চিচিঙ্গা। বর্তমানে প্রতি পিস জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪৫- ৫০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি ৭০- ৮০ টাকা, পটলের কেজি ৪০-৫০ টাকা ও চিচিঙ্গার কেজি ৪০-৫০ টাকা।

ঈদের পর দাম কমেছে কাঁচা পেঁপের। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। যেখানে ঈদের আগে দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা।

খিলগাঁও রেলগেট বাজারের সবজি বিক্রেতা ফজলে রাব্বি বলেন, আমদানি করা কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজার থেকে প্রতি পাল্লা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কিনতে হয়। এ কারণে ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেরাদিয়া হাট এলাকার পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. মহসিন বলেন, বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। পাইকারি বাজার থেকে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৬ টাকায়। খুচরা বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!