জুন মাসে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতরের (ডিপিডিটি) সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে গত ২৫ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমসহ ৪টি পণ্যকে জিআই পণ্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ঐ দিনই আম দুটির পক্ষে জিআই সনদ ইস্যু করা হয়। অনুমোদন পাওয়া এসব পণ্যের পক্ষে আবেদনকারীদের ডেকে দ্রুত সনদ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
.png)
আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ডিপিডিটিতে ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমকে জিআই পণ্য করার জন্য আবেদন করেন আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান। তিনি বলেন, সদ্য স্বীকৃতি পাওয়া দুটি জাতের আমসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪টি জাতের আম স্বীকৃতি পাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর পাশাপাশি আমরাও আনন্দিত।
মোখলেসুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাঠানো আমের স্বাদ পেলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে এখন থেকে স্বীকৃতি পাবে। জিআই পণ্যের মর্যাদা পাওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে রফতানির সুযোগও তৈরি হলো। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে, অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষিরা আমের ন্যায্যমূল্য পাবে। জিআই ট্যাগ যেন পণ্যের গায়ে দ্রুত লাগানো যায় সেই ব্যবস্থাও করতে হবে।
ডিপিডিটি সূত্রে জানা গেছে, অন্তত ২৪টি পণ্যের জিআই স্বীকৃতির আবেদন প্রক্রিয়াধীন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নাটোরের কাঁচাগোল্লা, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, রংপুরের হাঁড়িভাঙা আম, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, কুমিল্লার রসমালাই, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ীর চমচম, নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই, লতিরাজ কচু, সোনালি মুরগি, সাবিত্রী রসকদম, চাচুরি বিলের কৈ মাছ, নাক ফজলি আম, সুন্দরবনের মধু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি, জামালপুরের নকশিকাঁথা, ফুটি কার্পাস তুলা প্রভৃতি।