এতে বলা হয়েছে, আলোচিত মাসে (এপ্রিল) এক লাখ ২৪ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের বছরের একই সময়ে (এপ্রিল-২০২২) মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৭ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১৭ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাৎক্ষণিক টাকা লেনদেন ও পাঠানোর সুবিধার কারণে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গ্রাম থেকে শহরে কম খরচ ও দ্রুত টাকা পাঠানো যায়। এ সেবায় যুক্ত হয়েছে লেনদেন ছাড়াও বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল পরিশোধ করা ও কেনাকাটা। একই সাথে সেবামূল্য পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, প্রবাসী আয় পাঠানো যায় এ সেবায়। এ কারণে সব ধরনে গ্রাহকই এ সেবাটি লুফে নিচ্ছেন।
.png)
চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম মাসে (জুলাই) মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন হয়েছিল ৮৯ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা, আগস্টে কিছুটা কমে লেনদেন হয়েছিল ৮৭ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। পরের মাস সেপ্টেম্বরে লেনদেন হয় ৮৭ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা, অক্টোবর মাসে ৯৩ হাজার ১৩ কোটি টাকা, নভেম্বরে ৯২ হাজার ১২৫ কোটি এবং ডিসেম্বরে ৯৬ হাজার ১৩২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।
আর চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ৬৯৩ কোটি টাকার। পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা কমে লেনদেন হয়েছিল ৯৭ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। মার্চ মাসে মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে লেনদেন হয় ১ লাখ ৮ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা।
দেশে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরের বছর ২০১১ সালের ৩১ মার্চ বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটের মধ্য দিয়ে দেশে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের যাত্রা শুরু। এরপরই ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আসে বিকাশ। পরে সেবা নিয়ে আসে নগদসহ, উপায়সহ আরো বেশকিছু প্রতিষ্ঠান।