ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

মসলাসহ কমেছে মুরগি ও সবজির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:৫৬, ১৬ জুন ২০২৩
মসলাসহ কমেছে মুরগি ও সবজির দাম
ফাইল ফটো

সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে মুরগির দাম। স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারেও, তবে কিছুটা চড়া চড়া দেশি মাছের দাম।

শুক্রবার সকালে উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার, মিরপুর ১০ নম্বর বাজার, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি বেগুন ৬০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ টাকা আর শসা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ঝাঁজ কমেনি দেশি পেঁয়াজের, বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।
 
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি এবার অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ফসল নষ্ট হয়নি। এতে দাম কিছুটা কম। আর ক্রেতারা জানান, সবজির দাম কমায় বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। তবে দাম আরও কমলে ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে আসবে।
 
আনোয়ার হোসেন নামে একজন ক্রেতা বলেন, এখনও সবজির যা দাম, সেটিও আমাদের মতো মধ্যবিত্তের জন্য অনেক বেশি। দাম আরও কমলে ভালো।
 
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা ছিল ২১০ থেকে ২২০ টাকা। এছাড়া সোনালি ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা।
 
বিক্রেতারা জানান, ব্রয়লারের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কমেছে। মূলত বাজারে মুরগির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতির দিকে।
 
প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর এখনও বাড়েনি গরু ও খাসির দাম। এছাড়া বাজারে প্রতি ডজন সাদা ডিম ১৩৫ টাকা ও লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৪ টাকায়।
 
বাজারে প্রতিকেজি দেশি মাগুর ১ হাজার ২০০ টাকা, দেশি শিং ১ হাজার ৪০০ টাকা, শোল ১ হাজার টাকা, নদীর আইড় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং নদীর পাঙাশ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

এছাড়া প্রতিকেজি টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৩০ টাকা, পাবদা ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, এ সময় বাজারে দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকে। তাই দাম একটু চড়া। কিন্তু বর্ষা শুরু হলে খাল-বিলের মাছ আসতে শুরু করলে দাম কমবে।
 
বাজারে নিম্নমুখী মসলার দাম। প্রতিকেজি আদা প্রকারভেদে ১৬০ থেকে ৩৫০ টাকা ও প্রকারভেদে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়। বিক্রেতারা জানান, আমদানি বেশি হওয়ায় দাম কমেছে।

কয়েকজন বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছে করে দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: বাজারদর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!