ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

নিলামে উঠছে জাপান থেকে আসা ১৪৭ বিলাসবহুল গাড়ি

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:০১, ২৮ মে ২০২৩
নিলামে উঠছে জাপান থেকে আসা ১৪৭ বিলাসবহুল গাড়ি
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে নিলামে উঠছে জাপান থেকে আমদানি করা ১৪৭টি বিলাসবহুল গাড়ি। আগামী ৫ জুন নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড় না করায় এসব গাড়ি নিলামে তুলছে মোংলা কাস্টমস হাউজ।

নিলামে ওঠা গাড়ির মধ্যে রয়েছে- নিশান, পাজেরো, এক্সিও হাইব্রিড, পিয়ার্স হাইব্রিড, টয়োটা ভিজ, প্রোবক্স, অ্যাকুয়া হাইব্রিড, টয়োটা হাইব্রিড, করোলা ফিলডার, হায়েসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৯৯৩, ৯৬, ৯৭, ৯৮, ৯৯, ২০০৬, ০৭, ০৮, ০৯, ১১, ১৩, ১৭, ১৮. ১৯, ২০, ২১ ও ২২ মডেলের গাড়ি।

মোংলা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৩, ২৪ ও ২৫ মে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের জন্য দরপত্র বিক্রি করা হয়। ৩১ মে’র মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, খুলনা এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ও মোংলা কাস্টম হাউসে রক্ষিত দরপত্র বাক্সে ১০ শতাংশ জামানতসহ দরপত্র জমা দেবেন নিলামে অংশগ্রহণকারীরা। ৩০ মে পর্যন্ত মোংলা বন্দরে গিয়ে নিলামে তোলা গাড়ি দেখার সুযোগ রয়েছে ক্রেতাদের। অনলাইনেও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নিলামে অংশ নেয়া যাবে।

Advertisement

মোংলা কাস্টমস হাউজের নিলাম শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ছবি রাণী দত্ত বলেন, মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা এসব গাড়ি ৩০ দিনের মধ্যে ছাড় করানোর নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা তা করেননি। নির্দিষ্ট সময়ের পর আমদানিকারকদের আরো ১০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হলেও তারা গাড়ি ছাড় করাননি। এ কারণে নিয়মানুযায়ী নিলামে তোলা হচ্ছে এসব গাড়ি। নিলামে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতার তালিকা প্রকাশের পর গাড়িগুলো বিক্রি হবে। পরে সর্বোচ্চ দরদাতাকে গাড়ি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি হাবিবুল্লা ডন বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক মন্দায় সরকারি সংস্থা ও ব্যাংকগুলো গাড়ি কিনছে না। বড় বড় কোম্পানিগুলোও এখন গাড়ি কিনছে না। এ কারণে গাড়ির ব্যবসা ভালো চলছে না। এর মধ্যে কাস্টমসের নিলাম প্রক্রিয়া ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। গাড়ি নিলামে না তুলে ব্যবসায়ীদের সময় দেওয়া প্রয়োজন।

মোংলা কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার মাহফুজুর রহমান বলেন, নিলাম প্রক্রিয়া কাস্টমস হাউজের একটি নিয়মিত কাজ। নিয়মিত নিলাম প্রক্রিয়া না থাকলে, গাড়ি বা অন্যান্য পণ্য রাখতে ব্যবসায়ীদের অসুবিধা হবে, তাই নিলাম প্রক্রিয়া চালু রাখতে হচ্ছে। এর ফলে সঠিক সময়ে রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ট্রাফিক ম্যানেজার কুদরত আলী বলেন, ২০০৯ সালের ৩ জুন থেকে এ পর্যন্ত মোংলা বন্দরে জাপান থেকে ২২ হাজার ৪৩৭টি গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। যা মোট আমদানিকৃত গাড়ির ৬০ শতাংশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!