বৈশ্বিক জ্বালানি সম্পদ ও জ্বালানির বাজার সম্পর্কিত থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা এম্বারের ডেটা ইনসাইটস বিভাগের নির্বাহী ডেভ জোনস বলেন, সৌরবিদ্যুৎ যে দিনদিন অ্যানার্জি সুপারপাওয়ার হয়ে উঠছে- এ পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো বিশ্বের কিছু দেশ রয়েছে, সেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সূর্যালোক পড়লেও সৌরবিদ্যুৎ খাতে তাদের বিনিয়োগ সবচেয়ে কম।
বিনিয়োগ বাড়াছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
শুধু সৌরবিদ্যুৎ নয়, নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির সবগুলো খাতেই বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ। আইইএ’র গবেষকদের ধারণা, সৌরবিদ্যুৎ, উইন্ডমিল, জলবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগ চলতি ২০২৩ সালেই এক ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। সত্যিই এমন হলে ২০২১ সালের তুলনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়তে চলেছে ২৫ শতাংশের বেশি।
.png)
কয়লা, খনিজ তেলের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি খাতেও অবশ্য বৈশ্বিক বিনিয়োগ ১ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। তবে আইইএ’র মতে, চলতি বছর নবায়নযোগ্য জ্বালানির তুলনায় জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হবে কম। যদি জীবাশ্ম জ্বালানিতে বৈশ্বিক বিনিয়োগ চলতি বছর ১ লাখ কোটি ডলার ছাড়ায়, সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের তুলনায় ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ বাড়বে এই খাতে।
আইইএ’র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল বলেন, বিশ্বজুড়ে নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে এবং আমাদের ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাত্র ৫ বছর আগেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জীবাশ্ম জ্বলানির মধ্যেকার বিনিয়োগের অনুপাত ছিল ১:১ ডলার। কিন্তু বর্তমান বিনিয়োগের যে চিত্র, তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে যদি ১ ডলার বিনিয়োগ হয়, একই সময়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হয় ১ দশমিক ৭ ডলার।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতগুলোর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাতেই বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি ঘটছে বলে জানিয়েছেন তিনি।