২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাজারে ৮.৮৪% শেয়ার নিয়ে চীন ও ভিয়েতনামের পরে বাংলাদেশ একক বৃহত্তম রফতানি গন্তব্যে তৃতীয় স্থানে ছিল। ২০২২ সালের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯.৭৮%।
ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
.png)
অটেক্সা অনুসারে, ২০২৩ সালের যুক্তরাষ্ট্রে মোট পোশাক রফতানি ৭.২৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। চীন, ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়ার মতো বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি পেয়েছে।
অটেক্সার তথ্য অনুসারে, ইন্দোনেশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৩ সালের প্রথম মাসে ৪.৭৩% বেড়ে ৪৫৩.৮৩ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। একই সময়ে কম্বোডিয়া থেকে বাজারটিতে ১২.৯২% রফতানি কমে ২৮২.৭৫ মিলিয়ন ডলারের পোশাক পণ্য রফতানি হয়েছে। দেশ দুটি ৫.১৫% ও ৪.১৭% পোশাক পণ্য রফতানি করে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।
বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, জানুয়ারিতে মার্কিন বাজারে প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ছিল। এরপর থেকে ইতিবাচক হয়ে উঠেছে, যা বাংলাদেশের শক্তির প্রমাণ। মার্কিন ক্রেতা ও ভোক্তারা সোর্সিং দেশ হিসেবে অন্য প্রতিযোগীদের থেকে আমাদের এগিয়ে রাখে। ভবিষ্যতে আমাদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে।
বাংলাদেশ ২০২২ সালে মার্কিন বাজার থেকে ৯.৭৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। ২০২১ সালে যা ছিল ৭.১৪ বিলিয়ন ডলার।