ফেনীতে ছাত্রী হত্যাচেষ্টায় শম্পা সন্দেহে পপি আটক
ফেনীর সোনাগাজীতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় আলোচিত শম্পা সন্দেহে পপিকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে তাকে আটক করা হয়। আটক উম্মে সুলতানা পপি সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি ইউপির লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে। সে ওই মাদরাসার আটক অধ্যক্ষ এস.এম সিরাজ উদ-দৌলার শ্যালিকার মেয়ে। সে একই মাদরাসা থেকে এবার আলিম পরীক্ষা দিচ্ছে।
ফেনীর পুলিশ সুপার এস.এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য দেয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘ডাইং ডিক্লারেশন’ হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছাত্রী তার শরীরে আগুন দেয়া বোরকা পরা চারজনের মধ্যে একজনের নাম শম্পা বলে জানিয়েছেন। তার দেয়া বক্তব্য মামলার বিচার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সেই সূত্রে শম্পা সন্দেহে পপিকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে দুপুরে সোনাগাজীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, শম্পা বা আরেকটা নাম শুনেছি। নাম কিন্তু কনফার্ম না। তারপরও ওই নামের মেয়েটিকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছি। তাকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
শনিবার সকালে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগকারী ছাত্রীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে অধ্যক্ষের অনুসারীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ফেনী হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতির কারণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সোমবার সকালে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনার তিনদিন পর সোমবার বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বড় ভাই মাহমুদুল হাসান। সোমবার রাতে মামলার এজহার পরিবর্তন করে অধ্যক্ষসহ আটজনের নামে মামলা করা হয়েছে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ