ঢাকা,  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

গ্যারেজে সিসিটিভি বসিয়ে ইয়াবা কারবার, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:১৭, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
গ্যারেজে সিসিটিভি বসিয়ে ইয়াবা কারবার, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩
নোয়াখালী সদর উপজেলার একটি অটোরিকশার গ্যারেজে যৌথ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় অটোরিকশার গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, র‍্যাব ও পুলিশ। এ সময় তিনটি সিসিটিভি ক্যামেরা, তিনটি মোবাইল ফোন এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার এওয়াজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব এওয়াজবালিয়া গ্রামের একটি অটোরিকশার গ্যারেজে যৌথ অভিযান চালানো হয়। গ্যারেজটির মালিক মামুন উর রশিদ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গ্যারেজের মালিক মামুন উর রশিদ (৩৭), একই ইউনিয়নের চাড়ুবানু গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে আব্দুল মন্নান (২৭) এবং দাদপুর ইউনিয়নের বারাহীপুর গ্রামের মাফিজুর রহমানের ছেলে মানজুর রহমান সাকিল (৩৮)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনটি সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এতে নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান, র‍্যাব-১১-এর সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের ডিএডি অমলেশ বাইন এবং সুধারাম মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমন বণিক।

তিনি জানান, গ্যারেজের ভেতরে হার্ডবোর্ডের পার্টিশন দিয়ে তৈরি একটি বিশ্রামকক্ষের খাটের ওপর থেকে ৪৪ পিস ইয়াবা, একটি দেশীয় ওয়ান শুটার পাইপগান, একটি সীসার কার্তুজ, তিনটি মোবাইল ফোন ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষ থেকেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্যারেজের ভেতরের কক্ষটি ইয়াবা সেবনের কাজে ব্যবহার করা হতো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়াতে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। এ ছাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র ও কার্তুজ মজুত রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এবং অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সুধারাম মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মামলা দুটির বাদী।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: নোয়াখালী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!