ঢাকা,  শুক্রবার   ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নালিতাবাড়ীতে ভুয়া নিয়োগ প্রমাণিত, অফিস সহকারীর এমপিও বাতিল

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৫১, ২ অক্টোবর ২০২৬
নালিতাবাড়ীতে ভুয়া নিয়োগ প্রমাণিত, অফিস সহকারীর এমপিও বাতিল
অবৈধ নিয়োগ প্রদানকারী সহকারী সুপার আব্দুস সামাদ ও অবৈধ অফিস সহকারী মোবারক হোসেন।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার অফিস সহকারী মো. মোবারক হোসেনের নিয়োগ ভুয়া ও অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় তার নাম এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে কর্তন করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই মাদরাসায় অফিস সহকারী পদে দুইজন নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। তাদের একজন মো. আবুবকর সিদ্দিক তার নিয়োগ ও পদসংক্রান্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি মোবারক হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানান।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববির প্রশাসনিক উদ্যোগে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে যায়। এ সময় মোবারক হোসেনের নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র, রেজুলেশন, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা হয়।

Advertisement

তদন্তে তার নিয়োগে গুরুতর অসঙ্গতি পাওয়া যায় এবং নিয়োগটি ভুয়া ও অবৈধ বলে প্রতীয়মান হয়। পরে তদন্তের ফলাফল ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের ভিত্তিতে বিষয়টি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোবারক হোসেনের নাম এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারী আবুবকর সিদ্দিক দাবি করেন, তিনি মাদরাসাটির বৈধ অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার পদে তৎকালীন সহকারী সুপার মো. আব্দুস সামাদ গোপনে মোবারক হোসেনকে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে মোবারক হোসেনের এমপিওভুক্তির বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই হওয়ায় প্রকৃত ঘটনা সামনে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশাসনিক উদ্যোগে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে যাওয়ার পর নিয়োগসংক্রান্ত অসঙ্গতি চিহ্নিত হয়।

জানা যায়, ২০১৩ সালে কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার তৎকালীন সহকারী সুপার মো. আব্দুস সামাদ মোবারক হোসেনকে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেন। পরবর্তী তদন্তে ওই নিয়োগ অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/নালিতাবাড়ী/এসআরএস/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!