ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অর্থ আত্মসাতের দায়ে ২ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩৬, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থ আত্মসাতের দায়ে ২ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড
অর্থ আত্মসাতের দায়ে ২ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড।

প্রাইম ব্যাংকের খুলনা শাখার ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা আত্মসাতের মামলায় তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাদের ওই পরিমাণ অর্থ জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

Advertisement

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন খান এ সবুর রোডের মেসার্স মিংহুয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও সাজেদা ওয়াহাব অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী শেখ আবু রাশেদ। অপর দুজন হলেন প্রাইম ব্যাংক খুলনা শাখার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জহিরুল হক এবং সাবেক ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ কাজী রবিউল ইসলাম।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামির কেউ আদালতে ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী এসব তথ্য জানান।

আদালত সূত্র জানায়, শেখ আবু রাশেদ এলসির মাধ্যমে পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংকে ঋণসীমার আবেদন করেন। তখন শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন সৈয়দ জহিরুল হক। তার সুপারিশে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় রাশেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ শতাংশ মার্জিনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার এলসি অনুমোদন করে।

পরে রাশেদ ভারত থেকে ১৪টি এলসির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করেন। এসব পণ্যের মূল্য বাবদ ২ কোটি ৭৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৭ টাকা ৯১ পয়সা পরিশোধ করা হয়। ২৭টি এলটিআর হিসাবের মাধ্যমে ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত এ অর্থ পরিশোধ করা হয়।

রাশেদের আমদানি করা পণ্য বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে তিনি তা করেননি। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিন আসামি যোগসাজশে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন।

২০১১ সালের ২৯ মে দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম মামলা করেন। ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!