রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে ফতুল্লা থানার মাসদাইর এলাকার আদর্শ স্কুলের উত্তর পাশে ‘মায়ের আঁচল’ নামের নির্মাণাধীন ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় শুভ্রকে ডেকে নিয়ে যান আসামিরা। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথার পেছনে ও থুতনির নিচে আঘাত করার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শুভ্রর বাবা মো. শাহাদাত হোসেন শিকদার (৫৪) বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ফতুল্লা থানার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২০ সালের ২৪ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। পরে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৭৯/৪১১/৩৪ ধারায় সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, শুভ্র হত্যা মামলায় আদালত সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং দুই আসামি পলাতক ছিলেন।