বুধবার বিকেলে শহরের ৯নং ওয়ার্ডের আবু লাইস লেনের সাহাবুদ্দিন ম্যানশনের ৫ম তলার বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত জোহরা আক্তার টুনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ডেকরা গ্রামের ফজলুল হকের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী। স্বামী ফজলুল ফেনী রেলওয়ের নৈশ প্রহরী।
ফেনী মডেল থানা এসআই হাসনাত আবদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শয়নকক্ষের খাটের উপর বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের দুই পায়ের হাঁটু খাটে লাগানো থাকায় সন্দেহ হচ্ছে। তবে স্বামীর দাবি, পরকীয়া ও ফেসবুকে আসক্ত ছিলেন গৃহবধূ।
.png)
নিহতের স্বামী ফজলুল হক বলেন, টুনি ফেসবুক ও পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) তিনি পরকীয়ার বিষয়টি তাকে জানিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
এসব দাবি উপেক্ষা করে নিহতের ভাই জামাল উদ্দিন বলেন, বিয়ের পর থেকে তাদের বিরোধ চলে আসছিলো। মৃত্যুর বিষয়টি পরিষ্কার। তবে তিন সন্তানের বিষয়টি নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে।
ফেনী মডেল থানার ওসি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।