স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলটি শুরু থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত চলমান থাকলেও সরকারি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ২০১৩ সাল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়, দেওয়া হয় জনবল নিয়োগ। এরপর থেকে স্বাভাবিকভাবেই অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছিল।

.png)
২০২৪ সালে হঠাৎ কর্মরত শিক্ষকেরা হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তারা জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হবে না, তাদের টিসি দিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বছরের শেষদিন হলেও কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি না করায় তারা সব শিক্ষককে অফিসরুমে আটকে রেখে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফজিলাতুন্নেছা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের নিয়ে বসে আমি একটি সমাধান করে দিয়েছি। কোনো শিক্ষার্থীকে অন্য বিদ্যালয়ে যেতে হবে না। এখানেই বিগত শিক্ষাবর্ষের ন্যায় স্বাভাবিক ভর্তি করা হবে।