এর আগে, সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সিলেট জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, ঘাতক বাস ছাড়াও আরো অন্তত চারটি বাস ভাঙচুর করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে কদমতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনাল থেকে কোনো বাসই জকিগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি। একইভাবে জকিগঞ্জ থেকেও সিলেটের উদ্দেশে কোনো বাস ছেড়ে আসেনি। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
.png)
সিলেট জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মুহিত বলেন, অপরাধী যারাই হোক তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সেইসঙ্গে আমরা যদি ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত পরিবহন ধর্মঘট চালিয়ে যাবো।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের জকিগঞ্জের কামালগঞ্জ সড়কে ফুটবল খেলার সময় বাসের ধাক্কায় নবম শ্রেণির স্কুলছাত্র আবির আহমদের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এদিকে, বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ওই দিন রাতেই জকিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত বাসচালক। অভিযোগে তিনি অজ্ঞাত অর্ধশত লোককে অভিযুক্ত করেছেন।