শুক্রবার সরেজমিনে কথা হয় তার স্বামী জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এর আগে ধার-দেনা ও এলাকাবাসীর সহায়তায় তিনটি থেরাপি দেওয়া হলেও আগামী ৯ জানুয়ারি আরেকটি থেরাপি দেওয়ার তারিখ আছে। টাকা না থাকায় তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, স্বামীর সংসার হতদরিদ্র হওয়ায় ঝরনা খেয়ে না খেয়ে জীবনধারণ করে থাকেন। তার কোনো সহায়-সম্বল নেই। মাত্র এক শতাংশ জায়গার দুচালা ভাঙাচোরা টিনের ঘরে স্বামী, দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী একমাত্র মেয়ে খাদিজা আক্তার (২০)-কে নিয়ে বসবাস করেন তিনি, যা বসবাসের অযোগ্য।
.png)
ঝরনা আক্তার জানান, দীর্ঘ ৯ মাস ধরে জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি। তার স্বামী দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি কাজ করতে পারছেন না। এলাকার স্থানীয় লোকজনের সাহায্য-সহযোগিতায় কোনোভাবে চিকিৎসার ব্যয় বহন করছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতা ক্যান্সার চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল হওয়ার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা করছেন। ছয়টি থেরাপির মধ্যে তিনটি সম্পূর্ণ হয়েছে। আরো তিনটি থেরাপি বাকি রয়েছে।
বাকি থেরাপি চিকিৎসার জন্য ঝরনা আক্তার ও স্বামী দিনমজুর জসিম উদ্দিন সমাজ ও রাষ্ট্রের বিত্তশালীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। যদি কোনো বিত্তবান হতদরিদ্র ঝরনা আক্তারকে সাহায্য করেন, তাহলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। রোগীর বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া হলো- (০১৬৪২০৬৫০৩৫)।
হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা বলেন, জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত ঝরনা আক্তার স্বামীসহ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমি বলেছি, সমাজসেবা অধিদফতর থেকে সরকার ক্যান্সার আক্রান্তদের ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়। ঝরনা আক্তার আবেদন করলে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি।