সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তগুলো নিম্নরূপ:
ক। বরিশাল জেলা ও মহানগর এলাকায় অবস্থিত ছোট-বড় সব মিশনারি ও চার্চে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে, যারা ২৪ ঘণ্টা রোস্টার অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন।
.png)
খ। ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বর চার্চ সংলগ্ন এলাকায় ইউনিফর্মড ও সাদা পোশাকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরা নিরাপত্তা নজরদারি নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করবেন।
গ। অবশ্যই প্রতিটি চার্চে সিসিটিভি স্থাপন এবং প্রয়োজনে পুলিশের বিশেষ শাখা কর্তৃক আর্চওয়ে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
ঘ। সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থেকে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে অতিরিক্ত নিরাপত্তা টহল পরিচালনা করা হবে।
উল্লেখ্য, বরিশাল মহানগর এলাকায় বড় পরিসরে ৪টি চার্চ (অক্সফোর্ড মিশন ও ব্যাপ্টিস্ট মিশন) এবং জেলার আগৈলঝাড়া ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি চার্চে বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে। পরিশেষে আসন্ন দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব সংস্থা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনে একমত পোষণ করে।