বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সিলেটের জেলা তামাবিল স্থলবন্দরে আগমন করেন। পরে তিনি তামাবিল জিরো পয়েন্ট, তামাবিল বধ্যভূমি, তামাবিল স্থলবন্দরের ওয়েট স্কেলসহ বন্দরের বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
দুপুর ১২টার দিকে তামাবিল স্থলবন্দরের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে বন্দরের অংশীজনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
.png)
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম, ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, তামাবিল স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার গৌরব মহাজন, দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিক হোসাইন, তামাবিল পাথর আমদানিকারক গ্রুপ- এর সমন্বয়কারী হেনরী লামিন, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, ইলিয়াস উদ্দিন লিপু, ফখরুল ইসলাম, তামাবিল ইমিগ্রেশন ইনচার্জ এসআই শামীম মিয়াসহ বন্দরের অন্যান্য অংশীজনের প্রতিনিধিরা।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতারা ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সরাসরি খনি থেকে সংগৃহীত আমদানিকৃত পাথরের সঙ্গে কাঁদা, মাটি , বালি, পানি প্রভৃতি ওয়েস্টেজ মিশ্রিত থাকায়, ওয়েস্টেজ ওজন বাদ দিয়ে পাথরের অ্যাসেসমেন্ট করার দাবি জানান। উপদেষ্টার প্রতি গাড়িতে বহনকৃত পাথরের মোট ওজনের শতকরা ১৫ ভাগ অনধিক ২ মেট্রিক টন ওয়েস্টেজ হিসেবে ছাড় দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
এছাড়া আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সহজ, উন্নত, গতিশীল ও স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নত করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। উপদেষ্টা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিষয়গুলো উপস্থাপন করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করার আশ্বাস প্রদান করেন।
পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে তিনি মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহন করেন। তিনি সর্বশেষ পৌনে ৩টার দিকে তামাবিল স্থলবন্দর ত্যাগ করেন।
মতবিনিময় সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সু্যোগ সুবিধার বিষয়টি সমাধানের আশ্বাসে দুপুর দেড়টার দিকে পাথরবাহী গাড়ি ভারত থেকে তামাবিল স্থলবন্দরে আসতে শুরু করে। বর্তমানে তামাবিল স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।