বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে পুটখালী সীমান্তের চরের মাঠ থেকে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দিঘীরপাড় উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আরিফ হোসেনের ছেলে সাবুর আলীর মরদেহ পাওয়া যায়।
অপরদিকে, পাঁচভুলট সীমান্ত এলাকায় মেইন পিলার ১৭/৭এস এর ১০২ আর পিলার হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্ত শূন্য লাইন হতে ৩০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইছামতি নদীর পাড়ে ভান্ডারীর মোড় নামক স্থানে একই থানার কাগজপুকুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ইউনুস মোড়লের ছেলে জাহাঙ্গীর কবিরের মরদেহ উদ্ধার করে (২১ বিজিবি)।
.png)
এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর কবিরের ভাই বলেন, ‘আমার ভাই ১৫ বছর ধরে ভারত থাকে। সে সেখানকার একটি মেয়েকে বিয়ে করে ঐ দেশের নাগরিক হয়ে বসবাস করেছিল। তার একটি কন্যাসন্তান আছে। সে কয়দিন আগে ভারত থেকে বাড়ি আসে। গতরাতে ভারতে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।
সাবুর আলীর স্ত্রী হাসি বেগম বলেন, একজন বাড়িতে এসে খবর দেয়, পুটখালী আমবাগানে আমার স্বামীকে কে বা কারা মেরে রেখে গেছে। পরে আমি গিয়ে দেখি সে (স্বামী) মাটিতে পড়ে আছে। তখন তাকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে সে মারা যায়।
তিনি আরো বলেন, আমার দুটি কন্যাসন্তান আছে। আমার সংসারে একমাত্র আয়ের উপার্জন ব্যক্তি ছিল আমার স্বামী। এখন আমার এই বাচ্চা দুটি নিয়ে কিভাবে চলবো?
তবে স্থানীয়রা বলছেন, তাদেরকে ভারতীয় বিএসএফ পিটিয়ে মেরে ফেলে রেখে গেছেন বাংলাদেশ সীমান্তে।
২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশীদ আহমেদ জানান, সকালে ইছামতি নদীর পাড়ে ভান্ডারীর মোড় নামক স্থানে মরদেহটি উলঙ্গ অবস্থায় পড়েছিল। মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিভাবে মরদেহটি এখানে আসলো এবং কিভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল) নিশাত আল নাহিয়ান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কিভাবে তাদের মৃত্যু হলো আমরা তদন্ত করছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।