গত ৯ ডিসেম্বর হাঁসের খোয়ারে একটি কালো ডিম দেখতে পায় তাদের সন্তান সিয়াম। সাপের ডিম ভেবে ভেঙে ফেলে সেটি। কিন্তু পরপর আরো তিনটি কালো ডিম দেখতে পায় খুপড়িতে। ধারণা করা হচ্ছে, ছয়টি হাঁসের মধ্যে যেকোনো একটি হাঁস চারটি কালো ডিম দিয়েছে।
পাতিহাঁস কালো ডিম দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই আসছেন এই কালো ডিম দেখতে।
.png)
স্থানীয়রা জানান, এর আগে হাঁসের দেওয়া কালো ডিম তারা দেখেননি। হাঁস সাদা ডিম দেওয়ার পরিবর্তে কালো ডিম দিচ্ছে এরকম ঘটনা তাদের জানা নেই। তাদের জীবনের এটা প্রথম ঘটনা।
হাঁসের মালিক মাছুম মিয়া জানান, গত ৯ ডিসেম্বর প্রথম কালো ডিমটি দেখতে পায় তার ছেলে সিয়াম। সেটা সাপের ডিম ভেবে ভেঙে ফেলে। পরে তিন দিনে আরো তিনটি কালো ডিম দেয় হাঁস। এর মধ্যে প্রথম তিনটি কুচকুচে কালো হলেও শেষেরটা একটু হালকা কালো।
মাসুমের স্ত্রী জানান, ৬টি হাঁসের মধ্যে কোন হাঁসটি কালো ডিম দিয়েছে তা জানা যায়নি। সবগুলো হাঁস সুস্থ রয়েছে।
নাগেশ্বরী উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ কোকিল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, হাঁসের কালো ডিম দেওয়ার ঘটনা বিরল। জিনেটিক্যাল সমস্যার কারণে ডিমের রং কালো হতে পারে। এটি একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।
এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে উপজেলার নারায়ণপুর ইউপির ইব্রাহিমের বাড়িতে তিনটি কালো ডিম দেয় একটি হাঁস।