১২ ডিসেম্বর ৫ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা হামিদা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে পাক বাহিনীর ক্যাম্প আক্রমণের জন্য থানা সদরের দিকে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়। খবর পেয়ে এদিন মধ্যরাতে পাক সেনারা তাদের উল্লাপাড়া ক্যাম্পের অস্ত্র গুদামে ও পাশে আব্দুর রহমানের পাট গুদামে আগুন ধরিয়ে দিয়ে নগরবাড়ী-বগুড়া মহাসড়ক পথে ঢাকার দিকে পালিয়ে যায়। পরদিন ১৩ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় উল্লাপাড়া।
এদিন উল্লাপাড়া থানায় মুক্তিপাগল উল্লাসিত জনতার মাঝে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম। এ সময় বের করা হয় আনন্দ মিছিল। দেশের অন্যান্য স্থানের মত সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায়ও ১৯৭১ সালের এই দিনে এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদারদের পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। আর জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে পাক হানাদারমুক্ত হয় কামারখন্দ উপজেলা। এরপর থেকে ১৩ ডিসেম্বর কামারখন্দমুক্ত দিবস ঘোষণা করা হয়।
.png)