চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
তিনি আরো বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে ঠান্ডার পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। কয়েকদিনের মধ্যে আরো তাপমাত্রায় পারদ নামতে পারে।
.png)
রিকশাচালক খোকন মিয়া বলেন, শীতের কারণে কাজে বের হতে কষ্ট হচ্ছে। তারপরেও সংসার চালাতে হলে বের হতেই হবে। শীত নিবারণে জন্য পুরোনো কাপড়ের দোকানের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে।
এদিকে শীতের কারণে শ্বাসকষ্ট, জ্বর-সর্দিতে বেশি ভুগছেন শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা। এরমধ্যে বেশি সমস্যা বয়স্কদের। শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতজনিত রোগব্যাধিও। প্রতিদিন জেলার সদর হাসপাতাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগীর ভিড়। শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।