ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

৭ বছরের মেয়েকে হত্যার পর বস্তাবন্দি, গণপিটুনিতে‌ নিহত বৃদ্ধ

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:২০, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
৭ বছরের মেয়েকে হত্যার পর বস্তাবন্দি, গণপিটুনিতে‌ নিহত বৃদ্ধ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরে সাত বছরের এক শিশু মেয়েকে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা প্লাস উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই খবর জানতে পেরে সেখানে হাজার হাজার উত্তেজিত জনতা সমবেত হয়। এরপর তাদের বেদম পিটুনিতে নিহত হয়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। 

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদপুরের সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউপির চর নসিপুরে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বিকেলের দিকে একদিন আগে নিখোঁজ হওয়া ওই শিশু মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

চরনসিপুর গ্রামের জিয়ারত আলীর শিশু কন্যা তাহিয়া আগের দিন মঙ্গলবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে সারা দিন তার সন্ধান চেয়ে মাইকিং করা হয়েছিল এলাকায়। কোতোয়ালি থানার এসআই ফাহিম ফয়সাল জানান, অনেক খোঁজাখুঁজি করে‌ তাহিয়াকে না পেয়ে তার বাবা কোতয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। 

Advertisement

বুধবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিষয়টি তদন্ত করতে ওই এলাকায় যায়।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ মেয়েটির খোঁজে তদন্তে নেমে পাশের বাড়ির হায়দার মোল্লা ওরফে শাহীন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করা হয়। পরে তার ঘরের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে একটি বস্তার ভেতরে বিদ্যুতের তার দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় তাহিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় পুলিশ শাহীনকে আটক করে। এরইমধ্যে খবর পেয়ে প্রায় হাজার খানেক গ্রামবাসী জড়ো হয়। তারা পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশের কাছে শাহীনকে ছেড়ে দিতে চাপ দিতে থাকে। পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম উত্তেজিত জনতাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা পুলিশের প্রতিরোধ ডিঙিয়ে ঘর ভেঙে শাহীনের ওপর চড়াও হয়। তাদের বেধড়ক মারপিট ও কিল ঘুষিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। 

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাত বছরের ঐ মেয়েটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা তা ডাক্তারি পরীক্ষার পরেই জানা যাবে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: ফরিদপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!