কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়,গত ২৬ ও ২৭ নভেম্বর শ্রমিকরা পদোন্নতিসহ বেআইনি বিভিন্ন রকম দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে কাজ বন্ধ করেন। শ্রমিকরা জানান, তাদের দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাজে ফিরবেন না। পরে কর্তৃপক্ষ কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে বিশৃঙ্খলা এড়াতে শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য লে-অফ ঘোষণা করে।
এদিকে টানা ৯ দিন পর কারখানা খোলায় স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মাঝে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শ্রমিক বলেন, ৯ দিন কারখানা বন্ধ থাকায় ক্ষতি আমাদেরই হয়েছে। অনেকটা চিন্তায় পড়ে ছিলাম কারখানা খোলা নিয়ে। পরিবার নিয়ে চলা কষ্ট হয়ে পড়েছিল। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নিয়েছে। আমাদের আর কোনো আপত্তি নেই।
.png)
কারখানার সিনিয়র অ্যাডমিন ম্যানেজার আবু ইউসুফ সিদ্দিকী বলেন, শ্রমিকরা প্রথমে পরিস্থিতি বুঝতে পারেননি। তাদের দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া হয়েছে। পদোন্নতি ধাপে ধাপে দেওয়া হবে বলে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোর্শেদ জামান জানান, কারখানা খুলে দেওয়ার পর থেকে শ্রমিকরা শৃঙ্খলভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। শিল্প পুলিশ কারখানার মূল ফটকে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। ৯ দিন পর কারখানাটি খুলে দেওয়ার ফলে শ্রমিকদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্থাপনের মাধ্যমে গাজীপুরের শিল্পখাতে পুনরায় স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।