বুধবার বিকেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক পার্থ ঘোষ ও স্থলবন্দর রাজস্ব কর্মকর্তা তামাল কান্ত দে’র উপস্থিতিতে কয়লা আমদানি চালু হয়েছে।
এ সময় উপজেলা কয়লা আমদানি ব্যবসায়ী সমিতির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
জানা গেছে, হালুয়াঘাট উপজেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে গোবরাকুড়া ও এর ১ কিলোমিটার পশ্চিমে কড়ইতলী স্থলবন্দর অবস্থিত। এর সঙ্গে সংযুক্ত আছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তোড়া এলাকার গান্ধীগাঁও ও গাছুয়াপাড়া শুল্ক স্টেশন।
দুটি বন্দরের ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৯ সালে কড়ইতলী ও ১৯৯৭ সালে গোবরাকুড়া শুল্ক স্টেশনের মধ্য দিয়ে ভারত থেকে কয়লা আমদানি শুরু হয়। কড়ইতলী ব্যবসায়ীদের নিয়ে কড়ইতলী কোল অ্যান্ড কোক ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ও গোবরাকুড়া বন্দর কেন্দ্র করে কড়ইতলী-গোবরাকুড়া আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপ নামের দুটি সংগঠন হয়। এই সংগঠনের অধীনে আছেন অন্তত ৮০০ ব্যবসায়ী। ২০১২ সালে সরকার শুল্ক স্থলবন্দরটিকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৬৭ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই দুই বন্দর নির্মাণে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, দুই স্থলবন্দরের জন্য ৩২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। গোবরাকুড়া ও কড়ইতলী বন্দরে ১০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি করে চারটি ওয়েব্রিজ স্কেল স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। দুই বন্দরেই বিদ্যুতায়ন ও সাজসজ্জার কাজ করা হয়েছে। এ ছাড়া জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ-ভারতের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিলো।