বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি হয়েছে ১৮৯ ট্রাক মালামাল। পাসপোর্ট যাত্রী পারাপারও স্বাভাবিক রয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ যাত্রী ভারতে গেছেন।
গত ২ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে বেনাপোলের ওপারে পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে দু’ দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধের কঠোর হুঁশিয়ারি দেয় বিজেপির নেতারা।
.png)
বিজেপির নেতাদের সভা সমাবেশে বেনাপোল বন্দর বন্ধ করে দেওয়ার হুমকীতে সারা দেশে ব্যবসায়ী ও পাসপোর্ট যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত ২ ডিসেম্বরের বিজেপির সমাবেশের পর থেকে দুদেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বাণিজ্য আরো বেড়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসেও রাজস্ব আয়ও গত বছরের তুলানায় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার শরিফুল ইসলাম।
ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রী শাহ জালাল বলেন, আতঙ্কের কারণে অনেক বাংলাদেশি আছেন, যারা চেকপোস্ট বন্ধের খবর শুনে দেশে ফিরছেন এটি সম্পূর্ণ গুজব। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওপারে ভারত সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ডেপুটি ডাইরেক্টর রাশেদুজ্জামান সজিব নাজির বলেন, বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রফতানি স্বাভাবিক রয়েছে গত একমাস ধরে। শুধুমাত্র মঙ্গলবার ৪১৮ ট্রাক মালামাল আমদানি হয়েছে ভারত থেকে। অন্যদিকে ভারতে রফতানি হয়েছে ১৮৯ ট্রাক মালামাল।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ইমতিয়াজ জানান, দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ভারতে যাওয়ার চেয়ে আসার যাত্রী একটু বেশি। যাত্রীদের কাছ থেকে জানা গেছে ওপারে কোনো সমস্যা হয়নি তাদের। এক শ্রেণির লোক গুজব ছড়াচ্ছে পাসপোর্ট যাত্রী নিয়ে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত করেছে।