জানা গেছে,গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের হরিশচন্দ্র পট্রি গ্রামের কৃষক মো. আ. সামাদ রাসেল মিয়ার বসত বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে ৩টি গরু চুরি করে বাড়ির পাশেই রাস্তায় পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাত ২টার দিকে এক পথচারী দেখে ডাক-চিৎকার করেন।
এতে ২ টি গরু থেকে গেলেও পূর্ব থেকে গাড়িতে ওঠানো দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি চার মাসের গাভীন (অন্ত:স্বত্বা) ফ্রিজিয়ান জাতের অষ্টেলিয়ান গাভী নিয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়।
.png)
অপরদিকে, একই ইউনিয়নের দক্ষিণ পুমদী গ্রাম থেকে ১৫ ই নভেম্বর রাতে কৃষক মো. মাহফুজ মিয়ার বসত বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে ৮টি গরু চুরি হয়। এ বিষয়ে কৃষকের গরুগুলো খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও অদ্যাবধি সেগুলোর কোন খোঁজ মিলে নাই।
কৃষক মো. মাহফুজ মিয়া আর্তনাদ করে বলেন, গরুগুলো আমার শেষ সম্বল ছিলো। চোরে সবই শেষ করে দিলো। ৮ টি গরুর মূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা হতো।
আরেক কৃষক সামাদ মিয়া বলেন,'আমার তিনটি গরু চুরি করার চেস্টা হচ্ছিল। একজন দেখে ফেলায় ২ টি গরু রয়ে গেছে।'
পুমদি গ্রামের কৃষক এসিন মিয়া বলেন, গরু চুরি বেড়েছে। তাই রাত জেগে পাহাড়া দেই। কখন যে আবার গরু চুরি হয়ে যায় ভয়ে আছি।'
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, গরু চুরি অতীতে ছিলো এখনও আছে। আমি এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। আমাদের জনবল কম থাকায় সব এলাকায় শুধুমাত্র পুলিশের পক্ষে তা রোধ করা সম্ভব নয়; যে জন্য কৃষকদের সজাগ থেকে পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। তবু যতদূর সম্ভব আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে গরু চুরি রোধ করা যায়। আপনারা তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করুন।