বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে পৌর শহরের রহমতপুর জিএম এস টিসিং হোম কোচিং সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন- ফাতেমা (১৩), হুমায়রা মিম (১৫), মমতাজ (১৪), শারমিন (১৪), সমৃদ্ধি (১৩), ফাতেমা (১৪), ফারজানা (১৪), রুবা (১৪) ও জেরিন (১৪)। বর্তমানে এদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নেবুলাইজার দেওয়া হচ্ছে।
.png)
ওই কোচিংয়ের শিক্ষক রিপন জানান, প্রথমে একজন শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে শিক্ষকের ঘরে থাকা নেবুলাইজার দেওয়া হয়। ওই শিক্ষার্থীর সমস্যা দেখে আরো তিনজন শিক্ষার্থী একইভাবে তাৎক্ষণিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর তাদের সকলকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলা অবস্থায় আরো পাঁচজনসহ মোট ৯ শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছে।
শিক্ষার্থী ফারজানার বাবা মিলন জানান, কোচিংয়ের শিক্ষক তাকে ফোন করে জানান- তার মেয়ে কোচিংয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। এরপর তিনি এসে দেখেন তার মেয়ের মুখে অক্সিজেন লাগানো। শ্বাসকষ্টে কাতরাচ্ছে। কেন এমন হয়েছে তিনি বুঝতে পারছেন না তিনি।
আরেক শিক্ষার্থী হুমাইরার বাবা ব্যবসায়ী কবির জানান, তিনিও ফোন পেয়ে এসেছেন। এসে দেখেন মেয়ের মুখে মাস্ক লাগানো। অক্সিজেন চলছে প্রথম দিকে মেয়ে বেশি অসুস্থ থাকলেও পরবর্তীতে কিছুটা সুস্থ হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বিকাশ জানান, আহত শিক্ষার্থীরা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছে। ধারণা করা হচ্ছে এটা সাইকোলজিক্যাল সমস্যা হতে পারে। কারণ একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর দেখাদেখি অন্য শিক্ষার্থী একইভাবে অসুস্থ হয়েছে। তাদের সকলকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।