সরেজমিন দেখা যায়, ধুনট-গোসাইবাড়ি, ধুনট-জোড়শিমুল, মথুরাপুর-ধারঘরাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামীন পাকা সড়কের পাশ থেকে বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে ধুনট-গোসাইবাড়ি সড়কের বড়বিলা ও বাকশাপাড়া, ধুনট-জোড়শিমুল সড়কের কালেরপাড়া এবং মথুরাপুর-ধারঘরা সড়কের কুড়িগাতী গ্রামের অংশে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কের ভাঙা স্থানগুলোতে খুঁটির সঙ্গে লাল নিশান উড়িয়ে কিংবা বাঁশের বেড়া দিয়ে সর্তকসংকেত দেওয়া হয়েছে। তারপরও সড়কের এসব ভাঙা স্থানে সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।
.png)
এলাকাবাসী জানান, গ্রামীন পাকা সড়কগুলো দিয়ে অতিরিক্ত মালামাল বোঝাই ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচল করায় বেশিদিন টিকছে না। বিশেষ করে যমুনা নদী থেকে অতিরিক্ত বালুবাহী ট্রাক এবং ভাটায় ইট তৈরির জন্য অতিরিক্ত মাটিবাহী ট্রাক চলাচল করায় সড়কগুলোতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সড়কের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে ডোবা কিংবা পুকুর খনন করা হয়েছে। এ কারণে অতিবৃষ্টির কারণে পানি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গভীর গর্তে কিংবা পুকুরে পড়েছে। সড়কগুলোর এই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে দুই পাশের গভীর গর্তে পানি থাকায় সড়কের ক্ষতি বেশি হয়েছে।
এলাকাবাসী আরো জানান, এসব ভাঙা রাস্তা দিয়ে যান চলাচল ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মাঝে মধ্যে ছোট দুর্ঘটনা ঘটছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে সড়কগুলো মেরামত করার আহ্বান জানান তারা।
ধুনট উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, এরমধ্যে সড়কের ভাঙা স্থানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের এ সমস্যার বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের ভাঙন স্থানগুলো মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে। বরাদ্দ অনুমোদন পেলেই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ভাঙন মেরামত করা হবে।