দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি ও রাস উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার প্রত্যুষে ভরা পূর্ণিমায় সাগরের প্রথম জোয়ারে পুণ্যার্থীরা পুণ্যস্নান শেষ করে নৌকা ও ট্রলারযোগে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন। এর আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের পুন্যার্থীরা শুক্রবার সারারাত আলোরকোলের অস্থায়ী মন্দিরে রাধা কৃষ্ণের লীলা কীর্তনসহ নানাবিধ আচার পালন করেন। পূজা অর্চনা করার জন্য আলোরকোলে নির্মাণ করা হয়েছিল অস্থায়ী রাধা কৃষ্ণের মন্দির।
রাস উৎসব উপলক্ষে এবার দুবলার আলোরকোলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় বারো হাজার পুণ্যার্থী জড়ো হয়েছিলেন। এখানে আগত পুণ্যার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বন বিভাগ, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। রাস উৎসব উপলক্ষে আলোরকোলে বসেছিল বিভিন্ন সামগ্রীর দোকান। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নির্বিঘ্নে রাস উৎসব সম্পন্ন হয়েছে বলে কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন।
.png)
জেলে পল্লী দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান বলেন, দুবলারচরে রাস উৎসবে আগত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্মীয় আচারপালনসহ সাগরে স্নান সেরে শনিবার সকালে বাড়ির পথে চলে গেছেন। তাদের সার্বিক নিরাপত্তায় বনরক্ষীরা নিরলস কাজ করেছেন।