সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহকারী (টিকাদান) হিসেবে যোগদানের পর নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে গত ৩ বছর যাবত কর্মস্থলে উপস্থিত না হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে নামমাত্র টাকা দিয়ে তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আব্দুর রশিদ নামে স্বাস্থ্য সহকারী তার বদলি হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা যায়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাবেয়া সুলতানা সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পান। গত ১৪ অক্টোবর থেকে উপজেলায় (এইচপিভি) জরায়ু ক্যানসার টিকাদান ক্যাম্পেইন প্রোগ্রাম চলমান রয়েছে। সেখানেও তাকে অনিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার এ কাজে সহযোগিতা করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. হাসিব ও অফিস প্রধান সহকারী মিজানুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন কবিরাজ। মোটা অঙ্কের মাসোয়ারা নিয়ে তারা এ কাজে সহযোগিতা করছেন বলে অফিসের একটি সূত্রে জানা গেছে।
.png)
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. হাসিব বলেন, আমি কোনো অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করিনি। নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় আমি অনেকবার সর্তক করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক রাবেয়া সুলতানার সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, আমার প্রতি যে অভিযোগ তুলেছেন, তা মিথ্যা। আমি নিয়মের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন না করে বেতন-ভাতা পায় কীভাবে?
অফিস না করে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন কবিরাজ বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম। খতিয়ে দেখে আপনাকে জানাব।