শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে শহরের আতাইকুলা থানার গঙ্গারামপুরের আকিজ ঝুট মিলের পশ্চিম পাশ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আসিফ আতাইকুলা থানার পীরপুর গ্রামের আসলাম হোসেনের ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর আগে গঙ্গারামপুর এলাকায় তার চাচার বাড়িতে থাকা একটি মেয়ের সঙ্গে আসিফের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর মাথায় সমস্যা হলে বছর খানেক আগে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি (তালাক) হয়। গত চারমাস আগে তিনি পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে আসছেন।
.png)
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) এলাকার একটি ইসলামী জালসায় যান আসিফ। জালসা থেকে ফেরার পথে সাবেক স্ত্রীর চাচাদের বাড়িতে উঠেন। সেখান থেকে আসিফের বাড়িতে ফোন দিয়ে জানানো হয়েছিল যে আপনার ছেলে আমাদের বাড়িতে আসছে দ্রুত নিয়ে যান। এরপর সকালে আকিজ ঝুট মিলের পশ্চিম পাশ থেকে তার গলাকাটা মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা।
নিহতের ছোটভাই নিরব হোসেন বলেন, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিকেলে বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া করে কাছারপুরের একটি জালসায় যায়। এরপর বাড়িতে ফিরে আসেনি। সকালে একটি হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পাই। ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
আতাইকুলা থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। রহস্য উদঘাটন করতে কাজ করছে পুলিশ।