গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চাঁন মিয়া (২৬), গোলাম মোস্তাফা (২৯) এবং আমির হামজা (২৩)। চাঁন মিয়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার কালেঙ্গা গ্রামের, গোলাম মোস্তাফা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার দাঁওগাঁও এলাকার, আর আমির হামজা শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার খরাইয়া পাড় গ্রামের বাসিন্দা। তারা গাজীপুর ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় গাজীপুরের পূবাইলের বসুগাঁও এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজিবকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তাকে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ৫ নভেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
.png)
রাজিবের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে র্যাব তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি মাধ্যমে র্যাব বুধবার তিন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে চাঁন মিয়া জানান, তার স্ত্রী কোহিনুর তাকে তালাক দিয়ে নিহত রাজিব আকনকে বিয়ে করেন। এই ক্ষোভ থেকেই তিনি সহায়তাকারীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে রাজিবকে হত্যা করেন।