বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. বশির আহাম্মেদ।
নিহতের বাবা মো. রোকমান মোল্লা বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় মামলা করলে ঘটনা অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। এরপর স্ত্রী মোছা. কাঞ্চন (মনিরা), ছোট ভাই মো. ঝন্টু মিয়া এবং হত্যায় সহযোগী মাসুদকে (২২) গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন জড়িতরা।
.png)
সংবাদ সম্মেলনের পুলিশ সুপার বলেন, প্রবাসী উজ্জল বিদেশ থাকার সময় তার ছোট ভাই মো. ঝন্টুর সঙ্গে তার স্ত্রী মোছা. কাঞ্চনের (মনিরা) পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর মাঝে বড় ভাই দেশে ফিরে এলে সম্পর্কে বাঁধ সাধে। দেশে আসার ৯ দিনের মাথায় ১২ অক্টোবর রাতে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ফেলে গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। এরপর দেবর ঝন্টুকে ডেকে আনলে ঝন্টু তার বন্ধু মাসুদকে ফোন করে বাড়িতে আসতে বলেন। এরপর গলায় গামছা পেঁচিয়ে তারা উজ্জলকে হত্যা করেন। এরপর লাশ গুম করার জন্য বাঁশের সঙ্গে বেঁধে ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে ধারালো ছুরি দিয়ে লাশের বুক চিড়ে বড় ড্রামের সঙ্গে বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। যাতে করে লাশ ভেসে উঠতে না পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল ওয়ারেস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সুজন সরকার, সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, সিংগাইর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।