জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র পুকুর খনন, খাল, নদী ও ক্যানেল বন্ধ করে অপরিকল্পিত রাস্তা নির্মাণ, সেতু-কালভার্টের মুখ বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে বাধ্য হয়ে পুকুর খননের দিকে ঝুঁকছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার চারটি উপজেলায় ২৭২ হেক্টর জমি জলাবদ্ধ হয়ে আছে। বিশেষ করে রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, বেলকুচি ও কামারখন্দ উপজেলায় অবাধে পুকুর খনন, খাল-ক্যানেল বন্ধ করে রাস্তা ও স্থাপনা নির্মাণের ফলে প্রতি বছরই এই জলাবদ্ধতা বাড়ছে।
.png)

কামারখন্দ উপজেলার কৃষক আলম ভূঁইয়া বলেন, কামারখন্দে বেশ কয়েক বছর ধরেই জমি জলাবদ্ধ দেখা দিয়েছে। এ বছরও পুকুর খননের কারণে আশপাশের জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়। সেই জমিগুলোর পানি নিষ্কাশন করা যাচ্ছে না। ফলে কৃষকরা বাধ্য হয়ে পুকুর খননের দিকে ঝুঁকছেন।
বিএডিসির (ক্ষুদ্র সেচ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাছুদ আলম বলেন, সিরাজগঞ্জের জলাবদ্ধতা নিরসনে দেওয়া আবেদনগুলোর মধ্যে কিছু বাস্তবায়ন হয়েছে। কিছু বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) একেএম মফিদুল ইসলাম বলেন, অস্থায়ী জলাবদ্ধ জমিগুলোতে একটি বা দুটি ফসল আবাদ করা সম্ভব হয়। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে পাইপ দিয়ে পানি বের করে জমিতে ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।