বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে এ অবস্থান কর্মসূচি করেন তিনি।
জানা যায়, ফ্যাক্টরিতে কাজের অর্ডার কম এবং আর্থিক সংকটের কারণে কাঁচামাল আমদানি না থাকায় মালিকপক্ষের ফ্যাক্টরি চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা যায়। এ কারণে ফ্যাক্টরিটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই কারখানার মালিকপক্ষ কর্মরত শ্রমিকদের আইন অনুযায়ী সার্ভিস বেনিফিট না দিয়ে গড় হারে কিছু টাকা প্রদান করে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য আইনগত পাওনাদির দাবিতে ফ্যাক্টরিতে অবস্থান নেন।
.png)