মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে পার্শ্ববর্তী লালপুর উপজেলার এবি ইউনিয়নের ডহরশৈল রেললাইনের ওপরে দাঁড়িয়ে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছেন তারা। ট্রেন আটকে বিক্ষোভের খবরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিষয়টি সমাধানে বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন, রেলওয়ে ও গ্রামবাসী একসঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ডহরশৈল গ্রামের চারশ পরিবারের লোকজন চিকিৎসা সেবাসহ নানা প্রয়োজনে ঈশ্বরদীতে যাওয়া আসা করে। রেললাইনের কারণে তিন কিলোমিটার দূরে ঈশ্বরদীতে যেতে ঘুরতে হয় ৮ কিলোমিটার রাস্তা। এতে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই ভোগান্তি দুর্ভোগে গ্রামবাসী নিজ অর্থায়নে রেললাইনের ওপর দিয়ে সম্প্রতি একটি সড়ক নির্মাণ করেছেন। আর এই সড়কে একটি রেলগেট অনুমোদন চেয়ে রেল কর্তৃপক্ষের কোনো সাঁড়াই পাননি। এ কারণে ট্রেন থামিয়ে এ দাবি জানিয়েছেন।
.png)
এবি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সাহাবুল ইসলাম বলেন, গ্রামবাসী নিজ খরচে সড়ক নির্মাণ করেছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে একটি রেলগেট নির্মাণের দাবি আমরা দীর্ঘদিন ধরে রেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আসছি। রেল কর্তৃপক্ষের কোনো সাঁড়া না পেয়ে গ্রামবাসী বিক্ষোভ করেছেন।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, রেলগেট নির্মাণ গ্রামমবাসীর একটি দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু রেললাইনের ওপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করায় একটু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এটা গ্রামবাসীর সঙ্গে বৈঠক করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধান করতে চেয়েছেন।
পাকশি রেলওয়ে বিভাগীয় ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ জানান, রেললাইনের ওপর দিয়ে সড়ক নির্মাণ করেছেন যেটা সম্পূর্ণ অবৈধ একটা ব্যাপার। এই অবৈধ রাস্তায় রেল কীভাবে রেলগেট করে দেবে বিষয়টি বুঝে আসে না। তারপরও স্থানীয় প্রশাসন ও গ্রামবাসীর সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছি। বৈঠকে বিষয়টি কীভাবে সমাধার করা যাই তা নিশ্চিত করা হবে।