ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চট্টগ্রামে প্রথম দিনে টিকা নিলো ৪০ হাজার কিশোরী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৪৬, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
চট্টগ্রামে প্রথম দিনে টিকা নিলো ৪০ হাজার কিশোরী
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা কার্যক্রমের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রামে ৪০ হাজার ৬৪৪ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এলাকায় সাতটি সেন্টারে ১২ হাজার ৩৭১ জন ও ১৫ উপজেলায় ২৮ হাজার ২৭৩ জন কিশোরী টিকা নিয়েছেন।

চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে আগ্রাবাদ সেন্টারে এক হাজার ৮৯২ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এরমধ্যে টিকা নিয়েছেন ৮৮০ জন। বন্দর সেন্টারে তিন হাজার ৭২৫ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা নিয়েছেন এক হাজার ৪৪২ জন। একইভাবে দেওয়ানবাজার সেন্টারে এক হাজার ৭৬৮ জনের বিপরীতে টিকা নিয়েছেন এক হাজার ১৭৮ জন, কাপাসগোলা সেন্টারে তিন হাজার ৩৫১ জনের বিপরীতে নিয়েছেন এক হাজার ৫০৯ জন, মেমন সেন্টারে তিন হাজার ৪১৭ জনের বিপরীতে নিয়েছেন তিন হাজার ৭৯২ জন। এ সেন্টারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৭৫ জন বেশি টিকা নিয়েছেন।

এছাড়াও পাঁচলাইশ সেন্টারে দুই হাজার ৫৯৫ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা নিয়েছেন দুই হাজার ৪৮ জন এবং উত্তর কাট্টলী সেন্টারে দুই হাজার ৬৭৯ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা নিয়েছেন এক হাজার ৫২২ জন।

Advertisement

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার ১৫ উপজেলার মধ্যে প্রথম দিনে আনোয়ারায় টিকা নিয়েছেন এক হাজার ৭৬১ জন, বাঁশখালীতে নিয়েছেন এক হাজার ৮৭৪ জন, বোয়ালখালীতে দুই হাজার ৫১ জন, চন্দনাইশে দুই হাজার ১৪২ জন, ফটিকছড়িতে তিন হাজার ১১৩ জন, হাটহাজারীতে ৯৪৩ জন, কর্ণফুলীতে এক হাজার ৬০২ জন, লোহাগাড়ায় এক হাজার ৪৬৪ জন, মীরসরাইয়ে দুই হাজার ৪৫৫ জন, পটিয়ায় এক হাজার ৫৬৭ জন, রাঙ্গুনিয়ায় এক হাজার ৮৩২ জন, রাউজানে এক হাজার ৭৪৩ জন, সন্দ্বীপে এক হাজার ৮২৪ জন, সাতকানিয়ায় দুই হাজার ২৮০ জন এবং সীতাকুণ্ডে এক হাজার ৬২২ জন কিশোরী টিকা নিয়েছেন। 

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রথম দিনে আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। জেলা পর্যায়ে আজ ২৮ হাজার ২৭৩ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পেইনের প্রথম ১০ দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রসমূহে এবং পরবর্তী আট দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রসমূহে কিশোরীদেরকে এ টিকা দেওয়া হবে। এটি গ্রহণে কোনো ধরণের ঝুঁকি বা বন্ধ্যাত্ব হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচপিভি ভ্যাকসিনের অপপ্রচার বা গুজব রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

এ ক্যাম্পেইনে চসিক এলাকা ছাড়াও ১৫ উপজেলার তিন লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ জন কিশোরীকে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। এতে চার হাজার ৩৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণির তিন লাখ ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ও স্কুল বহির্ভূত কমিউনিটির সাত হাজার ৫১৮ জন কিশোরী টিকা পাবে।

ক্যাম্পেইনটি চলবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল, স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদানকেন্দ্রে গিয়ে কিশোরীরা এ টিকা নিতে পারবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
ট্যাগ: চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!