মানববন্ধনে বক্তারা জানান, কেচুয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি একেবারে সংকীর্ণ। বিদ্যালয়ের মাঠটিতে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও এলাকার ছেলে-মেয়েরা প্রতিনিয়ত খেলাধুলা করে। এছাড়া বিকল্প মাঠ না থাকায় এলাকার ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ মৃত ব্যক্তিদের জানাজার নামাজ পড়ানো হয় বিদ্যালয়ের মাঠটিতে। সেই মাঠের ভেতর থাকা বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারটি ভেঙে ফেলে করা হচ্ছে ওয়াশব্লক। এমতাবস্থায় ওয়াশব্লকটি মাঠের দক্ষিণ পাশে করার দাবি এলাকাবাসীর। এ ঘটনায় গত ২০ অক্টোবর গোসাইরহাটের ইউএনও বরাবর এলাকাবাসী একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মানববন্ধনে বায়েজিত, তাকিয়াসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, আমরা আগে আমাদের বিদ্যালয়ের সামনের মাঠে খেলাধুলা করতাম। এখন খেলতে পারি না। মাঠের ভেতর ওয়াশব্লক নির্মাণ করছে। আমরা চাই পুরোনো টয়লেট ভেঙে সেখানে ওয়াশব্লকটা করা হোক।
.png)
প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুন্নী আক্তার বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন ওয়াশব্লক কোথায় হবে। এ সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
তবে, এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া যায়নি।
গোসাইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের জমি অনেকেই দখল করে আছে। তাদের ডেকে জমি ছাড়তে বলেছি, কিন্তু তারা তা মানছেন না। এটা নিয়ে অনেক শালিস দরবারও হয়েছে। তারা জমি দখল করে বাড়িঘর করে থাকছেন। তাই ওয়াশব্লকটি মাঠের পাশে করা সম্ভব হয়নি।