পারভেজ খান বলেন, লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটে চারটি ফেরি চালু রয়েছে। এর মধ্যে ফেরি ‘কাবেরী’ ভোলা থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যে লক্ষ্মীপুর ঘাট থেকে ভোলার উদ্দেশ্যে ফেরি ‘সুফিয়া কামাল’ ছাড়া হবে। কনচাপা ও রোকেয়া এখন ঘাটে অবস্থান করছে। এরপর পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শরীফুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নদীতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে। এতে দুপুর আড়াইটা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি লঞ্চ ভোলার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে লঞ্চটি ছাড়া হবে। নদী উত্তাল থাকলে লঞ্চটি ছাড়া হবে না।
.png)
তিনি আরো বলেন, লক্ষ্মীপুর-ভোলা ও বরিশাল রুটে ১১টি লঞ্চ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি বরিশাল রুটের। বাকি ৯টি ভোলা রুটের। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।
প্রসঙ্গত, মেঘনা নদী হয়ে লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌরুট দিয়ে চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ মাধ্যম। ঈদ-পূজাসহ সরকারি ছুটিতে এ রুটে যাত্রীদের ভিড় থাকে। এ ছাড়া পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বেশি এই রুটে।