জানা যায়, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে চরকাটি হারী, চর হাজিপুর ও নাককাটার চরসহ শত শত মানুষ চলাচল করে। ওই এলাকাগুলো সবজি উৎপাদিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফসল বিভিন্ন হাটবাজারে সরবরাহ করতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়েছেন বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরাও। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। তাই দ্রুত সময়ে রাস্তাটির সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে শনিবার (১৯ অক্টোবর) দেখা যায়,রাস্তাটির অর্ধেকের ও বেশি অংশ ধসে পড়েছে। রাস্তাটির বর্তমান প্রস্থ ৩ ফুটের চেয়েও কমে এসে ঠেকেছে। আগে এই রাস্তা দিয়ে অটোরিকশা ও রিকশাসহ গুরুত্বপূর্ণ যানবাহন চলাচল করলেও এখন মোটরসাইকেলে যাতায়াত ও কঠিন হয়ে পড়েছে৷
.png)
চরকাটি হারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরব আলী বলেন, দিন যতই যাচ্ছে ততই এই রাস্তাটির অবস্থা আরো করুণ হচ্ছে। প্রতিদিনই রাস্তার কোনো না কোনো অংশ পুকুরের পেটে যাচ্ছে। এতে রাস্তাটি দিন দিন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
মুক্তিযোদ্ধা আ. খালেক বলেন, আগে এই রাস্তা দিয়ে অটোরিকশা-রিকশা চলাচল করতো, কিন্তু রাস্তা এসব যানবাহন চলাচল করতে পারছে না৷ ফলে পাড়ায় শাকসবজি ও ফসল আনা নেয়া করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক শাকসবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
অটোচালক সাদেক জানান, বিকল্প রাস্তা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এটিই একমাত্র চলাচলের রাস্তা। বৃষ্টিতে রাস্তা ভেঙে দুর্ভোগ বেড়েছে৷
উপজেলার এলজিডি প্রকৌশলী গালিব মোর্শেদ বলেন, দ্রুত সময়ে গর্তটি ভরাট করার ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তীতে পুকুর পাড়ে স্পেলাপাইলিং দিয়ে পুনঃসংস্কার করার আশ্বাস দেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য মন্ডল জানান, অচিরেই এ রাস্তা নির্মাণ করে জনদুর্ভোগ লাঘবে চেষ্টা করা হচ্ছে।