সোমবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে তদন্ত কমিটির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাজীব কুমার সরকার।
ডিসি জানান, কী কারণে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে— বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এরই মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
.png)
এ সময় তার সঙ্গে হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন জেলার পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন। এ সময় তারা নিহত স্বজনদের হাতে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে তুলে দেন। এবং পরবর্তীতে যারা আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের তালিকা করে তাদের মাঝেও চিকিৎসা জন্য আর্থিকভাবে সহয়তা করা হবে জানানো হয়।
জানা যায়, রোববার রাত দেড়টার দিকে পৌর শহরের মুক্তিগঞ্জ এলাকায় গ্রিনলিফ নামে ওই ফিলিং স্টেশন এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত হন। নিহতরা হলেন— মো. হৃদয় (১৯), মো. ইউসুফ (৩২) ও সুমন (২৫)।
নিহত হৃদয় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় মোটর মেকানিক। ইউসুফ পৌরসভার (২ নম্বর ওয়ার্ড) মধ্য বাঞ্চানগর গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে এবং সুজন সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের বটু মিয়ার ছেলে। তিনজনের মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।