শনিবার (৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার নলতার রফিকুল ইসলামের বাঁশবাগান সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ব্যবসায়ী শাহ আলম জেলার দেবহাটা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া আটক রবিউল ইসলাম হৃদয় কালিগঞ্জ উপজেলার পাইকাড়া গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, নলতা বাজারে শাহ আলমের ফাতেমা টেলিকম নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে তিনি মোবাইল বিক্রিসহ ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশের এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করেন।
.png)
নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান, শাহ আলম শনিবার রাত ১১টার দিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তার বন্ধু অহিদুল ইসলামের মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। কিছুদূর যেতেই রফিকুল ইসলামের বাঁশবাগান সংলগ্ন এলাকায় সন্ত্রাসীরা তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে শাহ আলমের কাছে থাকা ৭ লাখ টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে শাহ আলমকে লক্ষ্য গুলি ছোড়ে ছিনতাইকারীরা। এতে তিনি বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় শাহ আলম চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হৃদয়কে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। অন্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে শাহ আলমকে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী রেজিস্টার ডা. আসাদুজ্জামান জানান, শাহ আলমের বুকের বামপাশে লাগা গুলিটি বের করা হয়েছে। এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি। তিনি আশঙ্কামুক্ত কিনা, এখনি বলা যাচ্ছে না। ।
কালিগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, বিদেশি পিস্তলসহ রফিকুল ইসলাম আটক রয়েছেন। তবে স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে তিনি গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে চিকিৎসার জন্য পুলিশ হেফাজতে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি বলে জানান ওসি।